জেন্ডারের বাংলা অর্থঃ
জেন্ডারের বাংলা অর্থ লিঙ্গ। অধ্যাৎ যে চিহ্নের মাধ্যমে মানুষকে নারী ও পুরুষ রুপে পৃথক করা যায়। কিন্তু বাংলা বা ইংরেজী ব্যাকরনে আমরা যে জেন্ডার সংঙ্গা শিখেছি বর্তমান সময়ে জেন্ডার শব্দাট ব্যবহৃত হয় ভিন্ন অর্থে।
জেন্ডারের বাংলা অর্থ লিঙ্গ। অধ্যাৎ যে চিহ্নের মাধ্যমে মানুষকে নারী ও পুরুষ রুপে পৃথক করা যায়। কিন্তু বাংলা বা ইংরেজী ব্যাকরনে আমরা যে জেন্ডার সংঙ্গা শিখেছি বর্তমান সময়ে জেন্ডার শব্দাট ব্যবহৃত হয় ভিন্ন অর্থে।
জেন্ডার কী?
জেন্ডার হচ্ছে সামজিক ভাবে গড়ে ওঠা নারী ও পুরুষের পরিচয়। যে পরিচয় সমাজ কর্তৃক নির্ধারণ নারী পুরুষের ভুমিকা। বিভিন্ন সামাজিক প্রতিস্থান যেমন- পরিবার, সরকার, জনগোষ্ঠী, স্কুল, মিডিয়া ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে জেন্ডার ভূমিকা সৃষ্টি করে। এরুপ দৃষ্টিভঙ্গি, ভূমিকা, আচরণ ও মূল্যবোধ নারী ও পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্ক যা সংস্কুতি ও সমাজ কর্তৃক আরোপিত। নারী ও পুরুষের এ ভূমিকা সামজিক ও লিঙ্গগত পার্থক্য স্থান কাল ভেদে ভিন্ন ও পরিবর্তিত হয়। যার ফলে ভিন্ন ভিন্ন বা একই সংস্কুতিতে নারী পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা দেখা যায়। এবং যা স্থান কাল ভেদে পরিবর্তনশীল। নারী ও পুরুষের এই সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মনস্তাত্ত্বিক ভূমিকা বা মনোভাবই হলো জেন্ডার।
বিশ্ব সভ্যতায় নারী পুরুষের অবদান সমান কিন্তু তা সত্ত্বেও নারীরা
পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রে সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয় না। আর এ থেকেই জেন্ডার তত্ত্বের অবতারণা
করা হয়
জেন্ডার হচ্ছে সামজিক ভাবে গড়ে ওঠা নারী ও পুরুষের পরিচয়। যে পরিচয় সমাজ কর্তৃক নির্ধারণ নারী পুরুষের ভুমিকা। বিভিন্ন সামাজিক প্রতিস্থান যেমন- পরিবার, সরকার, জনগোষ্ঠী, স্কুল, মিডিয়া ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে জেন্ডার ভূমিকা সৃষ্টি করে। এরুপ দৃষ্টিভঙ্গি, ভূমিকা, আচরণ ও মূল্যবোধ নারী ও পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্ক যা সংস্কুতি ও সমাজ কর্তৃক আরোপিত। নারী ও পুরুষের এ ভূমিকা সামজিক ও লিঙ্গগত পার্থক্য স্থান কাল ভেদে ভিন্ন ও পরিবর্তিত হয়। যার ফলে ভিন্ন ভিন্ন বা একই সংস্কুতিতে নারী পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা দেখা যায়। এবং যা স্থান কাল ভেদে পরিবর্তনশীল। নারী ও পুরুষের এই সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মনস্তাত্ত্বিক ভূমিকা বা মনোভাবই হলো জেন্ডার।
জেন্ডার সংবেদনশীলতাঃ
ছেলে ও মেয়ে শিশু উভয়ই সমান সম্ভাবনা নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। শুধুমাত্র শারীরিক গঠনে এবং শরীর বৃত্তীয় কাজে কিছু পার্থক্য থাকে যা প্রাকৃতিক। শারীরিক এই পার্থক্যের কারণে মেয়েরা গর্ভধারণ করে, সন্তান জন্ম দিতে পারে, অন্যদিকে ছেলেরা ভ্রণ উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। নারী ও পুরুষের মধ্যে এই পার্থক্য প্রকৃতগত, যা চিরন্তন, অপরিবর্তনীয়। নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রকৃতগত এই পার্থক্যকে মাথায় রেখে মানুষ হিসেবে যার যার প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার দেওয়াই হচ্ছে জেন্ডার সংবেদনশীলতা। নারীকে কোন কাজে অযোগ্য, অবহেলা না করে মানুষ হিসেবে একে অপরের প্রতি যথার্থ পারস্পারিক সস্মান, শ্রদ্ধাবোধ ও প্রাপ্য অধিকারের প্রতি সচেতন থাকাই জেন্ডার সংবেদনশীলতা।
ছেলে ও মেয়ে শিশু উভয়ই সমান সম্ভাবনা নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। শুধুমাত্র শারীরিক গঠনে এবং শরীর বৃত্তীয় কাজে কিছু পার্থক্য থাকে যা প্রাকৃতিক। শারীরিক এই পার্থক্যের কারণে মেয়েরা গর্ভধারণ করে, সন্তান জন্ম দিতে পারে, অন্যদিকে ছেলেরা ভ্রণ উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। নারী ও পুরুষের মধ্যে এই পার্থক্য প্রকৃতগত, যা চিরন্তন, অপরিবর্তনীয়। নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রকৃতগত এই পার্থক্যকে মাথায় রেখে মানুষ হিসেবে যার যার প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার দেওয়াই হচ্ছে জেন্ডার সংবেদনশীলতা। নারীকে কোন কাজে অযোগ্য, অবহেলা না করে মানুষ হিসেবে একে অপরের প্রতি যথার্থ পারস্পারিক সস্মান, শ্রদ্ধাবোধ ও প্রাপ্য অধিকারের প্রতি সচেতন থাকাই জেন্ডার সংবেদনশীলতা।
নারী
ও পুরুষের মধ্যে প্রকৃতগত পার্থক্যকে ভিত্তি করে, সমাজ নারী ও পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন
ভূমিকা ও অধিকার নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। যেমন, বহুদিন ধরে মেয়েরা ঘরের কাজ, রান্না,
সন্তান লালন পালন, এই সব গৃহস্থলী কাজ করে আসছে, যার বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক হয় না।
অন্যদিকে ছেলেরা আয় উপার্জন, বিচার সালিশ, রাজনীতি ইত্যাদি কাজ করত। ছেলে এবং মেয়েদের
সাজ-সজ্জা, আচার আচরণ, পোশাক-পরিচ্ছদও আলাদা। ছেলে এবং মেয়েদের অধিকারও এক নয়। এসব
বিষয় মাথায় রেখে আমাদের চিন্তা করতে হবে যে, একজন নারী চাইলে আয় উপার্জন করবে, সংসারে
মতামত দিবে, বিচার সালিশ, রাজনীতি ইত্যাদি কাজ করতে পারবে- এটাই জেন্ডার সংবেদনশীলতা।
একজন নারীর সাথে পুরুষের মত আচরণ করা যাবে না। তদ্রুপ, একজন পুরুষের সাথেও নারীর মত আচরণ করা যাবে না। নারী-পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। একজন কর্মীর নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন উভয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানে নারী পুরুষ পক্ষপাতহীনতা' বজায় রাখতে হবে। কারো প্রতি কোন পক্ষপাতিত্ব না করাই জেন্ডার সচেতনতার মূল বিষয়।
একজন নারীর সাথে পুরুষের মত আচরণ করা যাবে না। তদ্রুপ, একজন পুরুষের সাথেও নারীর মত আচরণ করা যাবে না। নারী-পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। একজন কর্মীর নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন উভয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানে নারী পুরুষ পক্ষপাতহীনতা' বজায় রাখতে হবে। কারো প্রতি কোন পক্ষপাতিত্ব না করাই জেন্ডার সচেতনতার মূল বিষয়।
@শরশ দিগন্ত

0 comments:
Post a Comment